Menu

ইসলামী স্বেচ্ছা সেবা সংস্থা

ইসলামী স্বেচ্ছা সেবা সংস্থা

ইসলামী স্বেচ্ছা সেবা সংস্থা– এই সেবামূলক প্রকল্পের জন্য নিজ এলাকায় সদস্য বাড়িয়ে অনেক আয় করতে পারেন।

প্রশ্নঃ ক) ইসলামী স্বেচ্ছা সেবা সংস্থার “এজেন্সী” কিভাবে পাবেন?    

উত্তরঃ ক) মনে রাখবেন, প্রতি থানায় বা জেলার সিটির প্রতি ওয়ার্ডে একজনকেই এজেন্ট করা হবে। অতএব আপনি আগ্রহী হলে  নীচের ফরম পূরণ করে পাঠান। আপনি নির্বাচিত হলে , আমরা আপনাকে ৭২ ঘন্টার মধ্যে কল বা মেসেজ পাঠানো হবে । এক বছর হোম ডেলিভারীর কাজ আন্তরিকতার সাথে করতে থাকলে, এক বছর পর “আইডি কার্ড ও ক্রেস্ট” পাঠানো হবে ।

খ) ইসলামী স্বেচ্ছা সেবা সংস্থার সদস্য হওয়ার নিয়মাবলী কি কি?

উত্তরঃ ইসলামী স্বেচ্ছা সেবা সংস্থা – কোন সমিতি নয়। এটা বিনিয়োগ গ্রহনকারী সংস্থা। তাই এর কোন কমিটি নেই। এর পরিচালনায় আছে একমাত্র – ওয়ালী মুহাম্মাদ ফাউন্ডেশন লিঃ।এটাকে বাইয়ে মুদারাবা ব্যবসা বলে। আপনার টাকায় কোম্পানী ঢাকায় জমি ক্রয়-বিক্রয়ের ব্যবসা করে মেয়াদ শেষে হিসাব দিবে। আল্লাহ পাক লাভ দিলে লাভের ২০% অফিস খরচ ধরা হয়। ২০% টাকা নতুন নিম্নলিখিত দ্বীনী কাজে ব্যয় হয়। এবং বাকী টাকা ৫০% ব্যবসা করার জন্য কোম্পানী পাবেন এবং ৫০% বিনিয়োগকারী পাবেন। মেয়াদ= তিন বছর।তবে মেয়াদের পূর্বে কোন বিপদে-আপদে যে কেউ আসল টাকা তিন মাসে দরখাস্তে তুলতে পারবেন। অথবা আপনার গ্রীন কার্ডটি অন্যের নিকট বিক্রি বা জামানত রেখে টাকা কর্য নিতে পারবেন।আমাদের মাসিক চাঁদাসহ অন্যান্য শর্ত সংষ্করণ করে প্রতি সদস্যের ছবি, টাকা ও বিবরনসহ “গ্রীন কার্ড” প্রদান করার ব্যবস্থা করা হয়েছে।প্রতিটি গ্রীন কার্ডের মূল্য = ৫০,০০০ টাকা। যা সর্বোচ্চ ৫ জনের নামে একটি কার্ড দেয়া যেতে পারে। অর্থ্যাৎ ৫ জন ১০,০০০ টাকা করে একত্র করে একটি গ্রীন কার্ড ক্রয় করতে পারবেন। যে দিন গ্রীন কার্ড পাবেন সে দিন হতেই মেয়াদ শুরু হবে এবং এবং আপনার টাকা জমি ক্রয়ে বিনিয়োগ করা হবে। তিন বছরে ২/৩ বার ক্রয়-বিক্রয় হলেও সব লাভ মিলিয়ে উপরের অংশানুপাতে মেয়াদান্তে লাভ বন্টন করা হবে।যে কাউকে দিয়ে, আসল টাকা ফেতর নিতে কার্ড লাগবেই। কার্ড হারিয়ে গেলে দরখাস্ত জমা দিয়ে নিজে এসে টাকা নিয়ে যেতে হবে। 

খ) ইসলামী স্বেচ্ছা সেবা সংস্থায় একজন এজেন্ট কিভাবে কাজ করবেন?   এজেন্টে কি কি লাভ হবে?

উত্তরঃ ১) এলাকায় আত্মীয়-স্বজনদের বুঝিয়ে টাকা ব্যাংকের নীচের একাউন্টে জমা করলে এবং নীচের ফরম পূরন করলে  “গ্রীন কার্ড” পাঠানো হয়। একজন না পারলে ৫ জনকে একত্র করে টাকা পাঠালেও একটি কার্ড ৫ নামে দেয়া হয়। এছাড়াও সোশ্যাল মিডিয়ায় বন্ধুদের সাথে কথা বলে রাজি করাতে পারেন।আমাদের অফিসিয়াল খরচ ২০% হতে এজেন্টগনকে “গ্রীন কার্ড” প্রতি ২,০০০ টাকা বকশিস প্রদান করা হয়। মাসে ১০টি “গ্রীন কার্ড” দিতে পারলে, এজেন্ট এর আয় হবে ২০,০০০ টাকা।

Name : WALI MOHAMMAD   A/C No-  4429733002809  Sonali  Bank , Branch- Sta masjid Road Branch, Dhaka, Bangladesh.

গ) সকল সদস্যগনকে নিয়ে মেয়াদান্তে সাধারন মিটিং করে তাদের লভ্যাংশ প্রদান এবং লাভের যে ২০% অর্থ দ্বীনি কাজে ব্যয় হবে, তারজন্য  “গ্রীন কার্ড” প্রাপ্ত সদস্যগনই নিজ হাতে নিম্ন দ্বীনি খাতে ব্যয় করতে করবেন। ১) নতুন কওমী মাদ্রসা প্রতিষ্ঠা করা ২) পুরাতন মাদ্রাসাগুলোর মুহতামিমের বেতন চালানো।৩) মৌসুমি বিপদ-আপদে মানুষের জন্য অন্ন-বস্ত্রের ব্যবস্থা করা। ৪) এতীম শিশুদের কওমী মাদ্রাসায় থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা করা। এসব কাজের সার্বিক দায়িত্ব পালন করছেন এবং করবেন – ওয়ালী মুহাম্মাদ ফাউন্ডেশন লিঃ এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব ওয়ালী মুহাম্মাদ সাহেব। উনার অবর্তমানে উনার বড় ছেলে সা’আদ বিন ওয়ালী। 

Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •